1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. akmsifathossain554@gmail.com : dainiktarunalo :
ভূরুঙ্গামারীতে জ্বালানি সংকট তীব্র, জনজীবনে চরম ভোগান্তি - dainiktarunalo - দৈনিক তরুণ আলো
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে ৭২ হাজার ইয়াবা জব্দ, আটক ২ বিনিয়োগ, রপ্তানী ও কর্মসংস্থানের এক গৌরবময় অভিযাত্রা মান্দা উপজেলা ছাত্রদল এর আলোচিত কে এই তানভির? উড়ে যায় কক্সবাজার” ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন গাজীপুরে ট্রাক–মিনিবাস সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫ ঠাকুরগাঁওয়ে চিনিকল শ্রমিকদের ৩ দফা দাবিতে ফটক সভা ও বিক্ষোভ মিছিল ঠাকুরগাঁওয়ে মিষ্টি কুমড়ার ক্ষেতেও সুস্বাদু মধু চাষে সাফল্য চান্দিনায় শিক্ষার্থীর সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ, ফুটওভার ব্রিজের দাবি। নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ডে প্যারেড ১৭ মে

ভূরুঙ্গামারীতে জ্বালানি সংকট তীব্র, জনজীবনে চরম ভোগান্তি

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৩ Time View
129

উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দিন দিন আরও প্রকট আকার ধারণ করছে। উপজেলার একমাত্র ফিলিং স্টেশনে তেলের সরবরাহ সীমিত থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ফলে জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে মেসার্স সাহা ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, “তেল নাই” লেখা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে পাম্পটি বন্ধ রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, দৈনিক প্রায় ৯ হাজার লিটার তেলের চাহিদার বিপরীতে পার্বতীপুর ডিপো থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে লটারির মাধ্যমে তিন দিন পরপর মাত্র ৩ হাজার লিটার তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। চলতি সপ্তাহে রোববার ও বুধবার দুই দিন তেল বিক্রি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, তেল সরবরাহের খবর পেলেই ভোর থেকে শত শত মোটরসাইকেল নিয়ে মানুষ লাইনে দাঁড়ান। দীর্ঘ সারি কখনো মহাসড়ক পর্যন্ত পৌঁছে যায়। কিন্তু প্রতি জনকে মাত্র ৩০০ টাকার তেল দেওয়া হওয়ায় অনেকেই খালি হাতে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, পাম্পে তেল না পাওয়া গেলেও খুচরা বাজারে চড়া দামে জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে। সীমান্তবর্তী কিছু এলাকায় ভারত থেকে নিম্নমানের পেট্রোল এনে ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা লিটার দরে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা কফিলুর রহমান বলেন, “তিন দিন ধরে ঘুরছি, কোথাও তেল পাইনি।”
আরেক ভুক্তভোগী মেসবা জানান, “বারবার লাইনে দাঁড়িয়েও সিরিয়াল আসার আগেই তেল শেষ হয়ে যায়।”
একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, আমার “বাসা থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে কর্মস্থলে যেতে হয়। তেলের অভাবে মোটরসাইকেল বন্ধ রেখে অটোরিকশায় যেতে হচ্ছে, সময়মতো অফিসে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে।”
জরুরি কাজে যাতায়াতেও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ। দ্রুত তেল সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ভূরুঙ্গামারী মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক শামসুজ্জোহা সুজন বলেন, “সীমিত সরবরাহের কারণে মানুষ বারবার পাম্পে ভিড় করছেন। এতে কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে এবং ভোগান্তি বাড়ছে। জেলার সব ফিলিং স্টেশনে একযোগে তেল সরবরাহ করা হলে এই চাপ কিছুটা কমবে।”
মেসার্স সাহা ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক কৃষ্ণ পদ বিশ্বাস জানান, “আমরা রেশনিং ব্যবস্থার আওতায় যা পাই, তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনের উপস্থিতিতে বিক্রি করছি। এর বাইরে আমাদের কিছু করার নেই।”
এদিকে তেল সংকট নিরসন ও ফুয়েল কার্ড চালুর বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি বলে তার দপ্তর জানিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এ সংকট আরও গভীর হবে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়তেই থাগবে!

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Themes By ShimantoIT.com