1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. akmsifathossain554@gmail.com : dainiktarunalo : দৈনিক তরুণ আলো
  3. siteadmin7055@yahoo.com : siteadmin70 :
  4. siteadmin7156@outlook.com : siteadmin71 :
November 6, 2026, 5:35 am
Title : Recent Posts
সেবা ও রাজনীতিতে স্বচ্ছতা আনতে আসছে গ্রাম সরকার আসন্ন শিরখাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেব জনগণের সমর্থন পেয়ে শীর্ষে আছেন সাবেক চেয়ারম্যান পুত্র জনাব সবুজ বাঘা  নীলফামারীতে দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদার করছে এসআরবি-১৩ ইনানী রিসোর্টে আগুনে ১০ জনের মৃত্যু, একই পরিবারের ৬ জন যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনে স্কুলে হামলার আগে মায়ের শটগান দিয়ে পিকআপ ট্রাকে গুলি, নিহত ৩ শিশু ও শিক্ষক দ্রব্যমূল্যের চাপে জনজীবন বিপর্যস্ত: স্বস্তি ফিরবে কবে সাধারণ মানুষের জীবনে? মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর সম্ভাবনা ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান রিক্রুটিং উদ্যোক্তা এমডি: সিফাত হোসাইন_ সীমান্তবর্তী ৬৯টি পূজা মণ্ডপে সতর্ক অবস্থানে বিজিবি: হাকিমপুর ডিগ্রি কলেজ মণ্ডপ পরিদর্শনে ২০ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক। ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক মালিকবিহীন ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট আটক।। মুন্সীগঞ্জে দিনদুপুরে অভিনব কায়দায় মিশুক অটো চুরি, ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার গাড়ি নিয়ে উধাও চোর চক্র

পাটগ্রামে অস্তিত্বহীন মিলের নামে চাল বরাদ্দ—সিন্ডিকেটের কবলে খাদ্য সংগ্রহ ব্যবস্থা

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, June 18, 2026
  • 295 Time View
363

 

সাঈদ ইসলাম, লালমনিরহাট

 

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় অস্তিত্বহীন রাইস মিলের নামে সরকারি চাল বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে এমন অনিয়ম চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় খাদ্য বিভাগ, কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী মিল মালিকদের একটি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা খাদ্য বিভাগের তথ্যমতে, পাটগ্রামে হাস্কিং ও অটো মিল মিলিয়ে মোট ৪৪টি রাইস মিল রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে সচল রয়েছে ২৪টি। তবে স্থানীয় অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রায় এক যুগ ধরে ২৩টি মিল সম্পূর্ণ অকার্যকর ও পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি চাল বরাদ্দের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বন্ধ মিলের কোনো উৎপাদন কার্যক্রম নেই, নেই বয়লার, সাইনবোর্ড বা অবকাঠামোগত অস্তিত্বও। অনেক স্থানে মিলের জায়গা এখন আগাছায় পরিণত হয়েছে। অথচ এসব নাম ব্যবহার করেই নিয়মিতভাবে সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় চাল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

চলতি বোরো মৌসুমে পাটগ্রাম উপজেলায় প্রায় ১৬৯০ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের জন্য ২৪টি মিলারের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের যাচাই প্রতিবেদন যথাযথভাবে অনুসরণ না করে কেবল কাগজপত্রের ভিত্তিতে তালিকা অনুমোদন করা হয়েছে। এতে অস্তিত্বহীন মিলও বরাদ্দ তালিকায় স্থান পেয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, এই প্রক্রিয়ার আড়ালে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট, কিছু মিল মালিক এবং খাদ্য বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। এতে প্রকৃত কৃষক ও বৈধ মিল মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

এ বিষয়ে পাটগ্রাম উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো: নাসিম আল আকতার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “অস্তিত্বহীন মিলের নাম বরাদ্দ তালিকায় নেই। যেসব মিল একেবারেই অকার্যকর, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

পাটগ্রাম উপজেলা চালকল মালিক সমিতির সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক মো: শাহিনুর ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সভায় আলোচনা করা হবে।

চলতি মৌসুমে উপজেলার ২৪টি মিলারের সঙ্গে নির্ধারিত দামে প্রায় ১৬৯০ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে খাদ্য বিভাগ।

এ বিষয়ে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সরকারি খাদ্য সংগ্রহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে নিরপেক্ষ তদন্ত ও মাঠপর্যায়ে বাস্তব মিল যাচাই প্রয়োজন। অন্যথায় পুরো খাদ্য সংগ্রহ কার্যক্রমই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Dainik tarun alo. Com

Themes By ShimantoIT.com